আইসিইউতে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এসএ খালেককে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় বার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর শুক্রবার রাতে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।

এসএ খালেকের আত্মীয় জাকির হোসেন যুগান্তরকে জানান, এর আগে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। দ্বিতীয় বার করোনায় আক্রান্ত হলে উনাকে শুক্রবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। তার অবস্থা মুমূর্ষু বলে জানান তিনি। এসএ খালেকের সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার ছোট ছেলে এস এ সিদ্দিক সাজু।

আরও পড়ুনঃ ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ‘এমভি অভিযান-১০’ লঞ্চে আগুনে নিহত অজ্ঞাত ২৭ জনের ম’রদেহ গণকবরে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পোটকাখালী গণকবরে তাদের দাফন করা হয়।

এর আগে জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে সার্কিট হাউজ মাঠে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আরও তিনজনকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় স্বজনরা। পর ওই তিনজনের কফিন স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

এখন পর্যন্ত এ দুর্ঘটনায় ৪২ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। বরগুনার জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ লুৎফর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে লঞ্চ দু’র্ঘটনায় নিহত ৩৭ জনের ম’রদেহ ঝালকাঠি হাসপাতালের ম’র্গ থেকে বরগুনা নিয়ে আসা হয়। রাতেই ম’রদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। এর মধ্যে মোট ১০ জনের মরদেহ শনাক্ত করেন স্বজনরা।

বাকি ২৭ জনের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাই তাদের গণকবর দেওয়া হলো।তিনি আরও বলেন, অজ্ঞাতদের ময়নাতদন্ত শেষে ডিএনএ সংরক্ষণ করেছে ফরেনসিক বিভাগ। পরবর্তীতে যাদের স্বজন নিখোঁজ রয়েছে তাদের ডিএনএ নিয়ে মেলানো হবে। এরপর যাদের সঙ্গে মিলে যাবে তাদের স্বজনরা ইচ্ছে করলে মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে নিয়ে যেতে পারবেন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগে। এতে এখন পর্যন্ত ৪২ জনের মরদেহ উ’দ্ধার করা হয়েছে। নি’খোঁজ রয়েছেন শতাধিক। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬৭ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *