আদলতে সাক্ষাৎ, পরীমনিকে যা বললেন নানা

পরীমনিকে রিমান্ড শুনানির জন্য কাশিমপুর কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) আদলতে আনা হয়।অন্যদিকে আদালতে ছুটে আসেন তার বৃদ্ধ নানা শামসুল হক।

শুনানি শেষে পরীমনি বিচারককে বলেন, ‘আমার নানা ও ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই।’ এরপর বিচারক অনুমতি দেন। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে পরীমনির নানা কাঠগড়ার বাইর থেকে তার সঙ্গে কথা বলেন।

পরীমনি নানাকে দেখে বললেন, ‘নানা ভাই তুমি এ শরীর নিয়ে কেন আসলা।’ নানা বললেন, ‘তোকে দেখার জন্য আসলাম। তুই হতাশ হইস না। তোর জন্য দেশবাসী আছে।’

কথা বলার সময় নানার পাশে ছিলেন পরীমনির দুই খালাতো ভাই। ১২টা ২৭ মিনিটে তাদের কথা শেষ হয়। কী কথা হয়েছে জানতে চাইলে পরীমনির খালাতো ভাই বলেন, ‘পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।’

এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে পরীমনির নানা ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণে আসেন। আদালতে কেন এসেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নাতনির সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।’

এ সময় পাশে বসে থাকা পরীমনির খালাতো ভাই মেহেদী জানান, ‘তিনি নানাকে আদালতে আনার জন্য পিরোজপুর থেকে এসেছেন।’

এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় তৃতীয় দফায় পরীমনির একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম।রিমান্ড শুনানির জন্য সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে পরীমনিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাকে রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়।এরপর সাড়ে ১১টার দিকে নেওয়া হয় আদালতের কাঠগড়ায়। কাঠগড়ায় উঠেই অঝোরে কাঁদতে থাকেন পরীমনি। বারবার তাকে হাত দিয়ে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *