আবরার হ’ত্যা মা’মলায় ২০ জনের মৃ’ত্যুদণ্ড

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী চাঞ্চল্যকর আবরার ফাহাদ হ’ত্যা মামলায় ২৫ জনকে মৃ’ত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এরমধ্যে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৩ আসামি পলাতক রয়েছেন।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এর আগে এই রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে

মামলার ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় হাজির করা হয়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ চাঞ্চল্যকর হ’ত্যা মা’মলার রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার (৮ ডিসেম্বর) এ রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

গত ২৮ নভেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত রায়ের জন্য এ তারিখ ধার্য করেছিলেন। এর আগে গত ২৮ নভেম্বর রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ৮ ডিসেম্বর রায় ঘোষণার তারিখ পেছানো হয়।

এদিকে এ মা’লার রায়ে ন্যায়-বিচার পাওয়া বিষয়ে আশাবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষ। রায়ের তারিখ ঘোষণার আগে চার্জশিটের ৬০ জন সাক্ষির মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

২৫ আসামির মধ্যে ২২ আসামি কা’রাগারে। তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। আসামিদের মধ্যে আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চার্জশিটভুক্ত ২৫ আসামি হলেন, মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি,

খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু। চার্জশিটভুক্ত পলাতক ৩ আসামি হলেন,

মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম এবং মোস্তবা রাফিদ। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর ভোরে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ছাত্র শিবির সন্দেহে তাকে পিটিয়ে মেরেছে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ পরিপ্রেক্ষিতে আবরারের বাবা বরকত উল্ল্যাহ চকবাজার থানায় মা’মলা দায়ের করেন। ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *