এইমাত্র পাওয়া: ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে, যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

আ’ওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা গতকালের চেয়ে ভাল, ফুসফুসে কোন জটিলতা নেই। ব্লাড প্রেসার ও অক্সিজেন স্যাচুরেশন স্বাভাবিক। তিনি ভাল আছেন। তবে আরও দু-একদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে বিএসএমএমইউ চিকিৎসক এমনটাই জানিয়েছেন। এর আগে, হঠাৎ বুকে ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় ১০ সদস্যের বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে বিএসএমএমইউ ভিসি অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

ভিসি বলেন, ওবায়দুল কাদেরের বুকে ব্যথা। ব্যথা নিয়ে তিনি বিএসএমএমইউ এসেছিলেন। পরে অবশ্য তার ব্যথা কমে গেছে। রুটিন চেকআপের জন্য সকাল ১০টার দিকে এসেছিলেন। ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড তাকে দেখে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তার অ্যাজমা আছে। আগামীকাল সকাল ১০টায় তাকে আবার দেখা হবে। তারপর পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।

তবে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা কী কী সমস্যায় ভুগছেন তা জানাননি বিএসএমএমইউ উপাচার্য। তিনি আরও জানান, ওবায়দুল কাদেরের অক্সিজেন স্যাচুরেশন ভালো আছে। চিকিৎসকরা তাকে বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকবেন।

এর আগে, সকালে বিএসএমএমইউয়ে ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ওয়ালিদ ফয়েজ জানান, সেতুমন্ত্রী বিএসএমএমইউয়ে গেলে চিকিৎসকরা তার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা বলেন। এ জন্য তাকে হাসপাতালে থাকতে হবে।

আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান বলেন, ঠাণ্ডা ও মৃদু শারীরিক সমস্যার কারণে চেকআপের জন্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বিএসএমএমইউয়ে ভর্তি হয়েছেন। এদিকে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ওবায়দুল কাদেরের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করেন।

এর আগে ২০১৯ সালের ৩ মার্চ ওবায়দুল কাদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে বিএসএমএমইউর করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর এনজিওগ্রাম করে তার করোনারি ধমনিতে তিনটি ব্লক পান চিকিৎসকরা, যার মধ্যে একটি অপসারণও করা হয়। এরপর তাকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দুই মাসের বেশি সময় ধরে তার চিকিৎসা হয়। পরে দেশে ফেরেন তিনি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *