দশবার করতে হয়েছিল, মুখ লাল হয়ে যাচ্ছিল : তানহা

গল্পের প্রয়োজনে চলচ্চিত্রে চু’’ম্বন দৃশ্যে অ’ভিনয় করে থাকেন শিল্পীরা। কিন্তু চু’’ম্বন দৃশ্য পর্দায় উপস্থাপন করাটা সহ’জ বিষয় নয়। আর দৃশ্যটি যদি কোনো অ’ভিনয়শিল্পীর ক্যারিয়ারে প্রথম হয়, তাহলে আরো কঠিন।

চলচ্চিত্রে প্রথম চু’’ম্বন দৃশ্যে অ’ভিনয়ের অ’ভিজ্ঞতা জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা তানহা মৌমাছি। এ অ’ভিনেত্রী বলেন, ‘‘নায়ক শুভকে প্রথম জড়িয়ে ধরেছিলাম। এ ধরনের কাজ এটি-ই আমা’র প্রথম ছিল। এটা করতে গিয়ে আমা’র হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল।

প্রথম চু’’ম্বন দৃশ্যে কাজ করি ‘নো মোর লাভ’ সিনেমায়। এতে সুমিতকে চু’’ম্বন করতে হয়েছিল।’’ কক্সবাজারে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে তানহা বলেন,

‘কক্সবাজারে চু’’ম্বন দৃশ্যের শুটিং করেছিলাম। দৃশ্যটি করতে গিয়ে দশটি চুম্ব’’ন দিতে হয়েছিল। যতবারই চু’’ম্বন দিচ্ছিলাম, ততবারই আমা’র মুখ লাল হয়ে যাচ্ছিল। এ কারণে দশবার চু’’ম্বন দিতে হয়েছিল।

তবে নায়িকা হওয়ার পর পরীমনির দুটি কাজে নাখোশ গ্রামবাসী। এলাকাবাসী জানায়, নায়িকা হওয়ার পরে নিজেকে অহংকারী হয়ে ওঠেন পরীমনি। এতিম সেই মেয়েটি ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যান।

মাটিতে পা পড়ত না। ২০২০ সালে সিংহখালী গ্রামে পরীমনি বেড়াতে এসেছিলেন। খবর পেয়ে তার নিজের কলেজের কিছু ছাত্রী দেখা করতে গিয়েছিল তার নানা বাড়ি কিন্তু তাদের সঙ্গে দেখা করেননি পরীমনি। বিষয়টিতে কষ্ট পেয়েছেন কলেজের সহপাঠীরা।

গ্রামবাসীদের আরেকটি অভিযোগ, নায়িকা হওয়ার পরে প্রতি বছর ঈদুল আজহায় এফডিসিতে ৫-৬টি গরু কোরবানি দেন পরীমনি কিন্তু গ্রামবাসীকে নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো কোরবানি দেননি। নিজের গ্রামের মানুষদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন সব সময়। গ্রামের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে পায়নি পরীমনিকে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *