প্রথমবার মি’লনের আগে এই ৪ জিনিস অবশ্যই করবেন

মি’লনের সময় একজন পু’রুষ ও স্ত্রী এর কী কী করণীয় থাকতে পারে তার একটি সম্যক ধারণা আমর’া দিচ্ছি মাত্র। বাকিটা সবার পরস্পরের মধ্যে বোঝা-পড়া এবং ভালোবাসার ব্যাপার।

১) পু’রুষের উচিত স’ঙ্গিনীর দে’হের নানা সংবে’দনশীল জায়গায় চু’মু খাওয়া। যা তাদের মি’লনের আনন্দকে কয়েকগু’ন বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পরস্পরের প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ করবে।

২) মি’লনের সময় পু’রুষের উচিত তার সঙ্গিনীকে দে’হের কাছে বুকের মধ্যে মিশিয়ে রাখা। এতেও ভালোবাসা প্রকাশ পায়। যা খুবই ইতিবা’চক।

৩) মি’লনের সময় মাথায় রাখা উচিত কামের থেকে ভালোবাসা ই যেন বেশি করে প্র’কাশ পায়। যা পর’ষ্পরের মনেই এক ইতিবা’চক প্র’ভাব ফেলে।

৪) মি’লনের সময় একজন পু’রুষেরই দ্বা’য়িত্ব বেশি তার স’ঙ্গিনীকে খুশি করা। তাই ফো’র’প্লে করতেও তাকে জা’নতে হবে।
নারীরা যেসব পু’রুষকে পাগলের মতো ভালোবাসতে চায়!

সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রেম করার প্রবণতাও। আর এজন্য প্রয়োজন একজনকে অন্যজনের মন জয় করা। এক্ষেত্রে পু’রুষের মন জয় করা যতটা সোজা ততটায় যেন ক’ষ্ট নারীর মন জয় করা।

তবে কাজটা কিন্তু মোটেও কঠিন নয়। এজন্য প্রয়োজন কিছু টেকনিক। এক নজরে দেখে নিন ৫টি টিপস যেটা মেনে চললে পছন্দের নারী সঙ্গিনী পাগলের মত ভালবাসতে চায়-

১) ফিটফাট থাকুন: নারীরা দীর্ঘদে’হী পু’রুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গু’রুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বি’ষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পু’রুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমা’র দেখভাল করবেন কী করে? সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কা’টা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ।

হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।২) নিজের রুচি তুলে ধরুন: দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো ‘হতে হবে বি’ষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার সঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রা খু’ন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পু’রুষদের পছন্দ করেন না।

৩) মুখে হাসি ফো’টান: রসবোধ থাকা’টা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গু’ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পু’রুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্য’ক্ত-বির’ক্ত হয়ে থাকার মতো যথে’ষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনমর’া টাইপ সঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফো’টাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আঘা’ত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অ’পছন্দ করেন। আর যে পু’রুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বি’ষয়ে আমর’া কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দে খু’ন।

৪) তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান: নারীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত ‘হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খেয়াল রাখছেন। তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একসঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধ’রা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল রাখার মতো কাজগু’লোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়।

কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।৫) ও চোখে চোখ পড়েছে: যখনই তাঁর চোখে চোখ রেখে তাকান। মি’ষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁর চোখে তাকালে একজন নারী যে অনুভূ’ত ি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে ‘হতে পারে তাঁর। আর মাঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *