ব্রেকিং নিউজঃ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেফতার

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্বের সাবেক সহ-সভাপতি মারজুক আহমেদ যুগান্তরকে জানান,

সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ছাত্রদলের

কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার আহ্বায়ক প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান রুমিকেও নিয়ে গেছে তারা।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একজন নেতা। বিভিন্ন কর্মসূচির মিছিলে সামনে থেকে স্লোগান দেন ক্লিন ইমেজের এই নেতা। এজন্য নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ‘স্লোগান মাস্টার’ হিসেবেও পরিচিত।

সংবাদঃ বিএনপিকে এক দফার আন্দোলনে যেতে হবে: গয়েশ্বর
বিএনপিকে সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, একটাই কথা রাখি,

শেখ হাসিনাকে (প্রধানমন্ত্রী) পদত্যাগ করতে আমরা বাধ্য করব। এক দফার আন্দোলনেই সুরাহা হবে। জনগণের আন্দোলন কখনোই বৃথা যায় না। আমাদের আন্দোলন জনগণের আন্দোলন।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলন তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী, খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর আন্দোলন নয়। আমাদের আন্দোলন জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা।

গয়েশ্বর বলেন, জনগণের দাবি এক শেখ হাসিনার পদত্যাগ। এই পদত্যাগে যদি সব সমস্যার সমাধান হয় তাহলে প্রতিটি সমস্যা নিয়ে আমরা কেন কথা বলব। তিনি তো (প্রধানমন্ত্রী) ইচ্ছে করে খুকুমণি-পরীমনির মতো ইস্যু কয়েকদিন পরপর সামনে নিয়ে আসছেন। এটা বুঝতে হবে আমাদের। আমরা বুঝেও গেছি।

হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট ব্যাখ্যা দিতে পারবেন, কোন আইনে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেননি ? কোন আইনের বলে? স্বাধীনতার উত্তরকালে ফাঁসির আসামির জামিন হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজার আসামির তো প্রায়ই হয়। যেনতেন আসামিরও জামিন হয়, খালেদা জিয়ার জামিন হয় না কেন?

বিচারপতিদের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, আপনারা বিভিন্ন সভা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আপনারা একটু ব্যাখ্যা করবেন খালেদা জিয়াকে কোন আইনের বলে জামিন দেন নাই? এটা জনগণ জানতে চায়?
সরকার নানাভাবে ফাঁদে ফেলে ২০১৮ সালের মতো বিএনপিকে আবারও নির্বাচনের মাঠে নামানোর চেষ্টা করবে বলে মন্তব্য করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, এখন বিএনপিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে তারা নির্বাচনে যাবেন কিনা? হাসিনাকে নির্বাচনে না নিয়ে নূরুল হুদাকে রেখে নির্বাচনে গেলে একটি ফেরেশতা এনেও যদি নির্বাচন করানো হয় তাহলেও সেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবার কোনো উপায় নেই।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘ঘরে বসে করোনায় না মরে রাজপথে গণতন্ত্রের জন্য রক্ত দিয়ে ইতিহাসের বুকে নিজের নামটা লিখে যাই। তারেক রহমান দেশে আসবে, আর সেদিনতো বিমানবন্দরে মানুষের জায়গা হবে না, এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। তারেক রহমানের নাম সরকার মায়ের কোলে থাকা শিশুর কানেও পৌঁছে দিচ্ছে, আমরাও তাকে নিয়ে এতটা প্রচার করতে পারছি না।

স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েলের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি নেতা ফজলুল হক মিলন, মীর সরাফত আলী সপু, সংগঠনের গোলাম সরোয়ার, সাইফুল ইসলাম, ইয়াসিন আলী, ফকরুল ইসলাম রবিন, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন প্রমুখ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *