ভাইয়া আমি পারছিনা, এরা কেন এতো কষ্ট দিচ্ছে? আদালতে পরিচালক গাজী মাহবুবকে যা বললেন পরিমণি

এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানালেন তিনি। আদালতের বিরতিতে কথা বলার এই সুযোগ হয়েছিল। গাজী মাহবুব ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এটি সম্ভব হলো আমার এক শুভাকাংখীর বদৌলতে।

পরী বলে ডাক দিতেই আমার দিকে তাকালো। আমার মুখের মাস্ক একটু নামালাম। আমাকে দেখে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা পরী অবাক, হতবাক। মূহুর্তেই ভাইয়া বলে হাতটা বাড়িয়ে দিল লোহার শিকের ভিতর দিয়ে।

আমি একটু এগিয়ে হাত বাড়ালাম। হাতে হাত রাখলাম। শক্ত করে ধরে রাখলাম। সিনেমার একজন মানুষ তার হাত ধরে সাহস দিচ্ছে। চলচ্চিএ পরিবারের একজন মানুষ এই মূহুর্তে তার পাশে।

তাও আবার এজলাসে। পরীর যেন অন্য এক অনূভুতি। সান্ত্বনা দিলাম তোমার পাশে আমরা আছি। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সবাই আছে। মানসিকভাবে শক্ত থেকো। পরীর চোখে জল। পরী বলছে, ভাইয়া আমি আর পারছিনা।

পাগল হয়ে যাচ্ছি। আমাকে কেন এতো কষ্ট দিচ্ছে। কি অপরাধ আমার। চারিদিকে হৈচৈ। সিআইডি। পুলিশ। মহিলা পুলিশ। পিপি। আইনজীবী। আরো কত পদ পদবী উপস্থিত। কথা চালিয়ে গেলাম। নানাকে সে খুব ভালোবাসে তাই হয়তো আমাকে বললো-

নানা যেনো আমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে। আমি ভালো আছি বলো কিন্তু। আমি বের হয়ে নাম্বার সংগ্রহ করে পরীর নানাকে ফোন করে জানালাম। সিএমএম কোর্টের সামনে থেকেই জ্যাম।

হাঁটতে শুরু করলাম। হাঁটছি আর ভাবছি কেন আসা এখানে। প্রশ্ন আমার নিজেকে, উওর নেই। কিন্তু একটি প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার। পরীমণির কান্নার শেষ কোথায়?’২২ আগস্ট রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীর জামিন আবেদন করেন তার প্রধান আইনজীবী মজিবুর রহমান। এর আগে শনিবার মাদক মামলায় তৃতীয় দফায় রিমান্ড শেষে পরীমণিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। পরীমণির জামিন আবেদনের শুনানি হবে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *