লকডাউন নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

লকডাউন নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

আর লকডাউনের প্রয়োজন হবে না, জোর দেয়া হবে টিকা কার্যক্রম ও মাস্ক পরাকে বলে জানিয়েছেন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। দুপুরে (২৬ ফেব্রুয়ারি) মেহেরপুর জেলা স্টেডিয়াম মাঠে গণটিকা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে টিকা গ্রহণের সংখ্যা বেশি হওয়ায় ওমিক্রন তেমন ক্ষতি করতে পারেনি। তবে করোনা থেকে যাবে দীর্ঘদিন ধরে।

এজন্য সবাইকে টিকার আওতায় আনতে হবে। সরকারের যে লক্ষ্য অধিকাংশ মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা। সেটি সক্ষম হয়েছি। এখন সারাদেশে এক কোটি টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে আমরা কাজ করছি।

বিশ্বের অনেক দেশকে ছাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দূরদর্শিতায় দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকার মজুদ করেছেন। যা বিশ্বের অনেক দেশ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

শুধু তাই নয় বিনামূল্যে টিকা কার্যক্রমের পাশাপাশি, করোনার পরীক্ষা ও চিকিৎসায় নজির স্থাপন করেছে বর্তমান সরকার। যার সুফল ভোগ করছে

দেশবাসী। করোনার সংক্রমণ নেমে এসেছে ৫ শতাংশের নিচে। ফলে আগামীতে আর লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ দেয়ার প্রয়োজন হবে না।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক না পরলে আবারও করোনার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। শুধু মাস্কই পারে করোনার সংক্রম কমানোর পাশাপাশি ফুসফুসের নানা রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে। এছাড়াও করোনাভাইরাস বাদে মাস্ক পরলে অন্য ভাইরাস থেকেও মানুষ মুক্ত থাকবে। তাই লকডাউন না দিয়ে মানুষকে মাস্ক পরার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মেহেরপুরে তিন উপজেলায় ৭২টি কেন্দ্রে প্রথম ডোজের এক লাখ ৭ হাজার টিকা দেয়া পরিকল্পনা রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের। কেন্দ্রগুলোতেও ব্যাপক মানুষকে টিকা নিতে আসতে দেখছি। এতে এ কার্যক্রম সফল হবে মনে করছি।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মন্ত্রী জেলা সার্কিট হাউজে পৌঁছালে পুলিশের একটি দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরে কোর্ট মোড়ে মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি আসেন শহরের স্টেডিয়াম মাঠে। সেখানে গণ টিকা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ড. মুনসুর আলম খান, সিভিল সার্জন ডা. জাওয়াহেরুল আনাম সিদ্দিকী, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলামসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।


Leave a Reply

Your email address will not be published.