শ্বাশুড়ীর কারণে আমার বেঁচে থাকা হলো না, চিরকুট লিখে দুই সন্তানের জননীর শেষ বিদায়

শ্বাশুড়ীর কারণে আমার বেঁচে থাকা হলো না, চিরকুট লিখে দুই সন্তানের জননীর শেষ বিদায়

দেশজুড়ে: শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের কোরবানীয়া ঘোনা এলাকায়

এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। রুমানার ওই এলাকার হাফেজ শফিকুর রহমানের স্ত্রী, তার ৯ বছর বয়সী এক ছেলে ও ৭ বছর বয়সী এক কন্যা রয়েছে।

রুমানার হাতের লেখা চিরকুটটি হুবহু তুলে ধরা হল, আমার দুটি সন্তানকে সবাই দেখে রাখবেন, এই পরিবারে আমার সন্তানদের কেউ রাখবেন না। সবার কাছে অনুরোধ, বাঁচার খুব ইচ্ছে ছিল, কিন্ত আর বেঁচে থাকা সম্ভব হলোনা।

শুধু আমার শ্বাশুড়ীর কারণে। মানসিকভাবে অনেক অত্যচারিত মেয়ে আমি। আর পারছি না কবরই আমার জন্য শ্রেষ্ট, আল্লাহ হাফেজ। চকরিয়া থানার

অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরোও পড়ুন: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিনষ্ট করা হয়েছে, সেনাবাহিনীর মনোভাব ভেঙ্গে দেয়া হযেছে। এটা একটা ষড়যন্ত্র।

পিলখানা হ’ত্যাকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ডিআরইউতে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির এ নেতা সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন,

কার স্বার্থে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি? সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এত সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়েছে।বাংলাদেশকে নতজানু রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় সরকার। সবকিছুর মূলে গণতন্ত্রহীনতা। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে নিরপেক্ষ সরকার নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

এই আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রশ্ন তোলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন কেন প্রকাশ করা হয়নি? বিডিআর বিদ্রোহের বিচার হয়েছে, কিন্তু সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার বিচার হয়নি। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনও এতে দাবি করেন, সেনাবাহিনীর মনোভাবকে ভেঙ্গে দিতেই বিডিআর বিদ্রোহ ঘটানো হয়েছিল।


Leave a Reply

Your email address will not be published.