ইলিয়াস কাঞ্চনের দুঃখপ্রকাশ


বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে ১৮ সংগঠন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এবারের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে জায়েদ-নিপুণের দ্বন্দ্ব ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’তে পরিণত হয়েছিলো।

‘জায়েদ খান’ ইস্যুতে চলচ্চিত্র পরিবারের বৈঠকে আমন্ত্রণ পায়নি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। ব্যক্তিকে ইস্যু করে শিল্পী সমিতিকে দূরে ঠেলে দেওয়াটা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেনে, আমার কাছে কোনো ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ না। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সংগঠনের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখা।

আদালত যে রায় দিয়েছেন সেটা জায়েদ খানের পক্ষে গেছে। কোর্টের সার্টিফাইড কপি দেখেই জায়েদ খানকে আমি শপথ গ্রহণ করিয়েছি। এখন কে বা কোন সংগঠন ওকে (জায়েদ খান) পছন্দ করলো না, সেটা আমার বিষয় না। আদালতের রায় মানতে আমি বাধ্য।’

তিনি বলেন, ‘আরেকটা কথা হচ্ছে, প্রত্যেকটা সমিতি তার নিজস্ব গঠনতন্ত্র দিয়ে চলে। এখানে কারো ওপর কারও খবরদারি সম্পর্কের অবনতি ঘটাবে। তারা (১৮ সংগঠন) শিল্পী সমিতিকে ডাকলে আমি অবশ্যই যেতাম। আমি চাইবো, বিভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করার। তা না হলে ইন্ডাস্ট্রি আরও তলানিতে যাবে। মানুষের হাসির পাত্র হবো আমরা।’

১৮ সমিতির একটি শিল্পী সমিতি, বৈঠকে তাদের কাউকে ডাকা হয়নি কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ১৮ সংগঠনের আহ্বায়ক ও পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘আমরা জায়েদ খানকে বয়কট করেছি। ইলিয়াস কাঞ্চন ভাইকে বলেছিলাম আদালতের সার্টিফাইড কপি না পাওয়া পর্যন্ত শপথ না পড়াতে। কিন্তু উনি (ইলিয়াস কাঞ্চন) শোনেননি। তাই চলচ্চিত্র পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত জায়েদ খান থাকবে শিল্পী সমিতিকে বাদ দিয়ে সকল কিছু হবে।’

তবে এমন সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাহীন সুমন। তিনি বলেন, ‘বৈঠক হবে সেটা জানি, কিন্তু জায়েদ খানকে ইস্যু করে শিল্পী সমিতিকে ডাকা হবে না, এটা দুর্ভাগ্যজনক। তাদের এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমি


Leave a Reply

Your email address will not be published.