দাবিদার একাধিক কোচিং সেন্টার, মিম জানালেন তিনি কোথায় পড়েছেন

দাবিদার একাধিক কোচিং সেন্টার, মিম জানালেন তিনি কোথায় পড়েছেন

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় সারাদেশে প্রথম হয়েছেন সুমাইয়া মোসলেম মিম নামের এক শিক্ষার্থী। তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজে পরীক্ষা দিয়েছিলেন।। তার প্রাপ্ত নম্বর ৯২ দশমিক ৫।

এদিকে ফলাফল প্রকাশের পরই মিমকে নিয়ে টানাটানি শুরু করেছে একাধিক কোচিং সেন্টার। সেসব কোচিং সেন্টারের দাবি মিম তাদের শাখায় কোচিং করেছেন।

মিমের ছবিযুক্ত রেটিনা কোচিং সেন্টারের ভর্তি ফরমের ছবি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এক ফেসবুক পোস্টে বলে, আলহামদুলিল্লাহ। সুমাইয়া মোসলেম মিম। মেডিকেল মেধাস্থান: ১ম।

মেডিকোর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, অভিনন্দন! মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০২১-২২। সুমাইয়া মোসলেম মীম। জাতীয় মেধায় ১ম স্থান মেডিকো রোল ২১০০০৯০৬।

এছাড়াও চ্যান্সপ্রাপ্ত সকলকে শুভকামনা। অন্যদিকে উন্মেষের ফেসবুক পেজের পোস্টেও সুমাইয়াকে নিজেদের শিক্ষার্থী বলে দাবি করা হয়েছে। ওই পোস্টে বলা হয়,

আলহামদুলিল্লাহ এ বছর (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেছে উন্মেষের কৃতী শিক্ষার্থী গভ. এম এম সিটি কলেজ, খুলনা -এর সুমাইয়া মোসলেম মিম। উন্মেষ রোল ৯৬২১০৭০৩৫০৯। চান্সপ্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীকে উন্মেষ পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।

তবে মিম জানালেন, তিনি ডিএমসি স্কলার কোচিংয়ের শিক্ষার্থী। সেখানে ছাড়া আর কোথাও আর অন্য কোনো কোচিংয়ে ক্লাস করেননি। উন্মেষ এবং রেটিনা কোচিংয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিয়েছেন। ডিএমসি স্কলারের ডা. সিয়াম ভাইয়া তাকে লেখাপড়ার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতকা করেছেন।

মিমের বাবা মোসলেম উদ্দীন সরদার বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে গ্রাম থেকে উঠে আসা আমার মেয়ে আজ দেশসেরা হয়েছে। ডুমুরিয়ায় আমার গ্রাম। সেখান থেকে নগরীতে এসে কোচিং করিয়েছি। ডিএমসি স্কলার কোচিংয়ে ডা. সিয়ামের তত্ত্বাবধায়নে সে লেখাপড়া করে। এছাড়া দু-একটি কোচিংয়ে সে পরীক্ষা দিয়েছে। একমাত্র ডিএমসি স্কলার কোচিংয়ের শিক্ষকদের প্রচেষ্টাতেই ভালো ফল করেছে সে।

ডিএমসি স্কলার কোচিংয়ের পরিচালক ডা. সিয়াম বলেন, একজন শিক্ষার্থী যদি ভালো ফলাফল করে সেটি আমাদের গর্বের বিষয়। আর যদি সেটা দেশে প্রথম হয়, তাহলে তো আরও গর্বের। এর আগেও ২০১৮ সালে আমাদের এক শিক্ষার্থী প্রথম হয়েছিল। ২০১৭ সালে লিখিত পরীক্ষায় আমাদের প্রথম হয়েছিল। গত সাত বছরে আমাদের তিন শিক্ষার্থী প্রথম হয়েছে। এটা আমাদের কাছে গর্বের বিষয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published.