রাজনীতির সব পদ কচু পাতার পানির মতো, কখন যে কোন দিকে পড়ে কেউ জানে না: নৌ প্রতিমন্ত্রী

রাজনীতির সব পদ কচু পাতার পানির মতো, কখন যে কোন দিকে পড়ে কেউ জানে না: নৌ প্রতিমন্ত্রী

রাজনীতি: নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাজনীতির সব পদ কচু পাতার পানির মতো। বাতাস যে কোনো সময় যে কোনো দিক দিয়ে আসতে পারে ও তা পড়ে যেতে পারে।

যতটুকু সময় আমরা থাকি, ততটুকু সময় আমরা চেষ্টা করি মানুষের কল্যাণে ও দেশের কল্যাণে কাজ করতে। আর এসব করি বলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ কোথায় চলে গেছে তা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন।

বুধবার (৬ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনলাইন নিউজ পোর্টাল জুমবাংলার এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের সবকিছুতে দায় আছে। আপনারা যারা সাংবাদিকতা পেশায় আছেন তারা আমার থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বেশি চেনেন।

যারা সাংবাদিকতায় কাজ করছেন তাদের কর্মক্ষেত্রের জন্য তিনি অনেক পদক্ষেপ নিয়েছেন। ফলে এই সেক্টরটা অনেক বড় হয়েছে। আমরা যে প্রেস ক্লাবে বসে কথা বলছি এটার জন্য তিনি অনেক বড় পরিসরে পরিকল্পনা নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে ১৬ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ অবদানের জন্য জুমবাংলা যুগপূর্তি সম্মাননা ২০২২ দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধে (মরণোত্তর)- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. গাজী সালেহ উদ্দিন,

শিক্ষায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, কথাসাহিত্যে সাংবাদিক আনিসুল হক, চিত্রশিল্পে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম টাকা ও কয়েনের নকশাকার কেজি মুস্তফা, চিকিৎসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের লিভার বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, সমাজসেবায় খুলনা অঞ্চল সমাজসেবায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী

প্রতিষ্ঠান অনির্বাণ লাইব্রেরি, সাংবাদিকতায় যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসীনুল হাকিম, ফটোগ্রাফিতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটোগ্রাফার পাভেল রহমান, আবৃত্তিতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক আশরাফুল আলম, কবিতায় কবি ও সাংবাদিক খান মুহাম্মদ রুমেল, ছড়ায় ছড়াকার ও শিশুসাহিত্যিক পাশা মোস্তফা কামাল, গীতিকারে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. মঞ্জুর উল আলম চৌধুরী, সঙ্গীতে গায়ক, সুরকার ও সঙ্গীত গবেষক সাজেদ ফাতেমী, কৃষিতে বরেন্দ্র ও রূপগ্রাম কৃষি খামারের উদ্যোক্তা সোহেল রানা, জনসচেতনায় বস্ত্র প্রকৌশলী সাঈদ রিমন,

নারী উদ্যোক্তায় উই এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা এবং আইটিতে ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মো. মনির হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব দীপ আজাদ ও জুমবাংলার সম্পাদক হাসান মেজর।


Leave a Reply

Your email address will not be published.