নওগাঁয় হিজাব পরে আসায় ছাত্রীদের পে’টানোর ঘটনায় মুখ খুললেন সেই অভিযুক্ত শিক্ষিকা

নওগাঁয় হিজাব পরে আসায় ছাত্রীদের পে’টানোর ঘটনায় মুখ খুললেন সেই অভিযুক্ত শিক্ষিকা

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের হিজাব পরে আসায় নি’র্যাতনের অ’ভিযোগ অস্বীকার করেছে সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল বলেছেন,

আমি স্কুলের গ্রুপিং কোন্দল ও অপরাজনীতির শিকার। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) ওই শিক্ষিকার একটি ভিডিও বার্তা পুরো ঘটনার বিবরণ দেন এই শিক্ষিকা। এতে তিনি বলেন, স্কুলড্রেস পরে না আসায় শিক্ষার্থীদের খুবই সামান্য শাসন করা হয়েছে।

এর সাথে হিজাবের কোন দূরতম সম্পর্ক নেই। বিষয়টি নিয়ে এখন ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। ভিডিও বার্তায় আমোদিনী পাল বলেন, ‘আমি অনলাইনে প্রতিবাদ জানাচ্ছি যে, গত ৬/৪/২০২২ রাতে হিজাব পরে

বিদ্যালয়ে যাওয়ায় ছাত্রীদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে একটি ফেসবুক আইডি থেকে এমন একটা পোস্ট দেওয়া হয়। পরে বিভিন্নজন ফেসবুক পোস্টটি ছড়িয়ে দেন। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যাচার।

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি ২২ ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি পরিবারের মতো কাজ করে আসছি। গত ৬/৪/২০২২ শিক্ষার্থীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বারবার বলার পরেও অনেকেই স্কুলড্রেস না পরেই বিদ্যালয়ে আসে। এ সময় আমি স্কুলড্রেস নিয়ে শিক্ষার্থীদের বলি ও নামমাত্র শাসন করি।’ভিডিও বার্তায় আমোদিনী পাল নিজেকে স্কুলের গ্রুপিং কোন্দল ও অপরাজনীতির শিকার বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘১০ বছর ধরে স্কুলে বিভিন্ন সমস্যা ছিল। এসবের সুযোগে বিভ্ন্নি গ্রুপ সৃষ্টি হয়। এদিকে প্রধান শিক্ষকের চাকরির বয়স শেষ।

এ অবস্থায় বিভিন্ন মহল নিজ স্বার্থ উদ্ধারে অপপ্রচার করছে। আমি হিন্দু বলে আমার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কমিটি ও প্রতিষ্ঠানের সমস্যা আড়ালে আমাকে বিনা দোষে অপরাধী করার চেষ্টা চলছে। আমি হিজাব বা ধর্মীয় বিষয়ে কোনও কথা বলিনি।’ বিষয়টি নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার জন্য এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী, সহকর্মীসহ সবার প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।


Leave a Reply

Your email address will not be published.