বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে জানতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে জানতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন বিষয়ে জানতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি ওয়েন্ডি শেরম্যান নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চান।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের ইলেকশন সম্পর্কে তারা জানতে চাইলে আমরা বলেছি—নির্বাচন ২০২৩ এর শেষে অথবা ২০২৪ এর প্রথম দিকে হবে।

ওই নির্বাচন যেন ভাল হয় সে বিষয়ে জানতে চাইলে আমরা বলেছি—এই প্রথমবারের মতো একটি আইন করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করা হয়েছে।’

সুষ্ঠু, স্বাধীন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন সরকারও দেখতে চায় বলে তাদেরকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব। তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি—সব দল যদি ইলেকশনে অংশগ্রহণ না করে বা নির্বাচনের আগে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সরকারের কি করণীয় হতে পারে।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘তারাও বলেছে তাদের গণতন্ত্রের ইতিহাস বাংলাদেশের থেকে লম্বা হলেও তারা এখন একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

তারা নিজেরাই বলেছে যে, তারাও যে সম্পূর্ণ পারফেক্ট এমনটি নয়। সুতরাং অবশ্যই আমাদের সামনে কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের প্রতিশ্রুতির কোন অভাব নাই।

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন (ডিএসএ) নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আমাদের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে কিছু সমস্যা আছে এবং সেটি হল সংশোধন করা যেতে পারে।

এগুলো নিয়ে কাজ চলছে এবং এক্ষেত্রে আমরা তাদের সহযোগিতা চেয়েছি। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের কাছে জানতে চেয়েছি তাদের দেশে কি ধরনের ডিজিটাল সাইবার ক্রাইম হয় এবং তারা স্বীকার করেছে—সেখানেও এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

আমরা তখন জানতে চেয়েছি, তোমরা কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছো এবং আমরা একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারি। এগুলোতে তারা একমত হয়েছে।

রাশেদ চৌধুরীর প্রত্যাবাসন

বঙ্গবন্ধুর খু’নি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আবারও অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আত্ম-স্বীকৃত খু’নি রাশেদ চৌধুরীকে আনার বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এটি তাদের বিচার বিভাগের অধীনে রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার তাদের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে দেখা-শোনা করা হয়। রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানোর কেসটি এখনো বলবৎ আছে এবং এক্ষেত্রে যেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় সে ব্যাপারেও আমরা তাদেরকে বলেছি বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।

সুত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন


Leave a Reply

Your email address will not be published.