আমিরাতের কাছে ক্ষমা চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র!


আন্তর্জাতিক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।বৃহস্পতিবার অ্যাক্সিওস নামে একটি সংবাদমাধ্যম এ খবর দিয়েছে।

গত মাসে মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সমর্থিত

সামরিক বাহিনী গত জানুয়ারি মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাইয়ে হামলা চালানোর পর আমিরাত ও আমেরিকার মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন দেখা দেয়।

হুতিদের হামলা প্রতিহত করার ব্যাপারে আমেরিকার পক্ষ থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে আমিরাত মনে করে। এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়।

ব্লিঙ্কেন এ ক্ষমা চাওয়ার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা বলে মনে হচ্ছে। মরক্কোয় বৈঠকের সময় অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন স্বীকার করেন, হুতিদের হামলা মোকাবিলার জন্য

আমেরিকার পক্ষে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং এ জন্য তিনি দুঃখিত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যাক্সিওস নিউজকে জানিয়েছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমিরাতের যুবরাজের কাছে এ কথা পরিষ্কার করেছেন যে,

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে অংশীদারিত্বকে আমেরিকা অত্যন্ত মূল্যবান মনে করেন এবং অভিন্ন হুমকি মোকাবিলায় আমেরিকা তার অংশীদারদের পাশে থাকবে। গত জানুয়ারি মাসে হুতি যোদ্ধারা ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাইয়ে হামলা চালায়। সেই সময় আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে তিনজন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছিলেন।

এদিকে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়, তাতে আমেরিকার পক্ষে ভোট না দিয়ে আমিরাত ভোটদানে বিরত থাকে। এর কাছাকাছি সময়ে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ আমিরাত সফর করেন। এসব ঘটনায় আমেরিকা হতাশা প্র্রকাশ করে।


Leave a Reply

Your email address will not be published.