শশুড়বাড়ীতে গেলেন মেয়র আইভী

শশুড়বাড়ীতে গেলেন মেয়র আইভী

টানা তৃতীয়বার নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন রাজবাড়ীর পুত্রবধু ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী। গত (১৭ জানুয়ারী) সর্বশেষ বিজয়ী হবার পর শুক্রবার (৬ মে) সকালে রাজবাড়ী জেলা শহরের

সরকারী আদর্শ মহিলা কলেজের পেছনে অবস্থিত শ্বশুরালয়ে বেড়াতে আসেন তিনি। তার সাথে বড় ছেলে কাজী সাদমান হায়াৎ সীমান্ত ছিলেন। রাজবাড়ী

শ্বশুরালয়ে তার শ্বাশুড়ী কাজী হাবিবা সালেহ সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য মিতু, মিন্টু, সেলিনা ইয়াসমিন মিলি, রাজবাড়ী পৌর কৃষকলীগের আহবায়ক শহিদুল্লাহ সহ অনন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র আলমগীর শেখ তিতু সহ সাংবাদিকরা সৌজন্য সাক্ষাত করেন। পরে তিনি কালুখালীর মাজবাড়ী, সদরের বিভিন্ন স্বজনদের বাড়ীতে যান এবং সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন।

আইভী রহমানের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার স্বামী কাজী আহসান হায়াৎ বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে অবস্থান করছেন। রাজবাড়ীর শ্বশুরালয়ে তার শ্বাশুড়ী কাজী হাবিবা সালেহ সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বসবাস করে আসছেন।

ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী, ১৯৬৬ সালের ৬ জুন নারায়নগঞ্জের একটি রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা আলী আহম্মদ চুনকা নারায়নগঞ্জের সাবেক পৌর মেয়র।

মায়ের নাম মমতাজ বেগম। তারা ৫ ভাই, বোন। তবে সবার বড় আইভী। ছেলে বেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যান্ত মেধাবী। দেশের পড়াশোনা শেষ করে ১৯৮৫ সালে স্কলারশিপ নিয়ে আইভী রাশিয়া যান এবং একজন দক্ষ চিকিৎসক হয়ে ১৯৯২ সালে দেশে ফিরে আসেন।

তিনি ঢাকার মিডফোর্ড ও নারায়নগঞ্জ ২০০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘ দিন মানুষের সেবা প্রদান করেন। ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর আইভী রাজবাড়ী জেলা শহরের সরকারী আদর্শ মহিলা কলেজের পেছনের এলাকার কাজী আহসান হায়াতের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

আহসান হায়াৎ নিউজিল্যান্ড প্রবাসী একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। তাদের সংসারে কাজী সাদমান হায়াৎ সীমান্ত ও কাজী সারদিল হায়াৎ অনন্ত নামে দুই জন পুত্র সন্তান রয়েছে। আইভী তার বাবার রাজনৈতিক পরিচিতিকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গণ ও সমাজসেবা মূলক

কর্মকান্ডে সরব হন এবং ১৯৯৩ সালে তিনি নারায়নগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদিক নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ২০০৩ সালে নারায়নগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান ও পরবর্তীতে তিনি নারায়নগঞ্জ সিটির মেয়র নির্বাচিত হন। এবারও তিনি নৌকা প্রতীকের একজন মেয়র প্রার্থী। আর এ কারণেই রাজবাড়ী জেলার গণমানুষের চাওয়া আইভী পুনরায় নারায়নগঞ্জের মেয়র নির্বাচিত হন।

শেষ নির্বাচনে সেলিনা হায়াৎ আইভী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লক্ষ ৬১ হাজার ২৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এবং হাতি প্রতীক নিয়ে ৯২ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী হয়েছেন বিএনপির তৈমুর আলম খন্দকার।


Leave a Reply

Your email address will not be published.