ইয়াসমিন আক্তার নিপা রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর আত্নীয় নন, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন চাচাতো ভাই

ইয়াসমিন আক্তার নিপা রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর আত্নীয় নন, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন চাচাতো ভাই

দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও মিডিয়ায় ইয়াসমিন আক্তার নিপা রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মি আখতার মনি’র মামাতো বোন দাবী

করলেও প্রকৃতিগত দিক থেকে তাঁদের সাথে কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিপার চাচাতো ভাই আবির হাসান।

ঈশ্বরদীর নূরুমহল্লা এলাকায় রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মি আখতার মনি’র নানা এবং ইয়াসমিন আক্তার নিপার দাদা পাশাপাশি বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করেন।

রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মি আখতার মনি’র নানী এবং নিপার দাদীর সাথে ভাব-ভালোবাসাও দীর্ঘদিনের। নানা-বাড়ি যাতায়াতের সুবাদে রেলমন্ত্রীর স্ত্রী’র সাথে নিপার ছোটবেলা থেকেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিলো বলে জানা যায়।

শাম্মি আখতার মনি’র নানা অনেক আগেই প্রয়াত হয়েছেন। কিছুদিন আগে মামা জাহাঙ্গির হোসেন এবং তার আগে আরেক মামা আব্দুর রহমান মৃত্যুবরণ করেছেন। আরেক মামা আব্দুর রাজ্জাক বেশ কিছুদিন যাবত শয্যাশায়ী। রেলমন্ত্রীর স্ত্রী এবারে ঈশ্বরদীতে দীর্ঘদিনের পুরোনো বান্ধবী নিপার বাসায় ঈদ উদযাপন করেন।

ঈদ শেষে ৪ মে দিবাগত রাতে নিপার ছেলে ইমরুল কায়েস প্রান্ত এবং রেলমন্ত্রীর স্ত্রী শাম্মি আখতার মনি’র দুই মামাতো ভাই ওমর ও হাসান ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে বিনা টিকিটে যাওয়ার সময় টিটিই শফিকুল ইসলামের হাতে ধরা পড়েন। টিটিই শফিকুলের দাবি এসি কেবিনে অবস্থান নেওয়া বিনা টিকিটের এই তিন যাত্রী রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় দিলে তিনি পাকশী বিভাগীয় রেলের সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (এসিও) নুরুল আলমের স্মরণাপন্ন হন। এসিও এর পরামর্শে এসি কেবিনের টিকিটের পরিবর্তে জরিমানা ছাড়া মোট ১ হাজার ৫০ টাকা সুলভ শ্রেণির ভাড়া নিয়ে টিকিট বানিয়ে দিলেও রোষানলে পড়েন তিনি।

এ ঘটনায় নিপার ছেলে ইমরুল কায়েস প্রান্ত লিখিতভাবে টিটিই শফিকুলের বিরুদ্ধে টিকিট না দিয়ে অনৈতিকভাবে ৫০০ টাকা করে তিন জনের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণের অভিযোগ করেন। প্রান্ত আরো অভিযোগ করেন, টিটিই অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং লাথি মেরে ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন বলে জানা যায়। কাউন্টারে টিকিট না পাওয়ায় তাড়াহুড়া করে তারা এসি কেবিনে উঠে পড়েন বলে প্রান্ত দাবি করেন।

এদিকে রবিবার (৮ মে) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় কার্যালয়ে এঘটনায় গঠিত তিন সদস্যেরে তদন্ত কমিটি তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন। কমিটির আহব্বায়ক সহকারি পরিবহন কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বাবু রোববার সন্ধ্যা ৬টায় জানান, এখনও কমিটি কাজ করছে। টিটিই শফিকুল ও অভিযোগকারী ইমরুল কায়েস প্রান্ত এর লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। পরে মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর সাথে আরও যারা সম্পৃক্ত তাদেরও ডাকা হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published.