ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে জ’বাই করে হ’ত্যার হু’মকি

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে জ’বাই করে হ’ত্যার হু’মকি

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে আজ (১৯ মে) বিকেল সোয়া ৪ টায় ওমান থেকে ফোন করে জ’বাই করে হ’ত্যার দেওয়া হয়েছে। ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ তার ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘০০৯৬৮৭১৩৭১৭৪৫ এই নম্বর থেকে ওমান থেকে ফোন করে আমাকে জ’বাই করার হুমকি দিলো মাত্র।’ এই প্রঙ্গে তুরিন আফরোজকে কথা বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান,

‘বিকেল সোয়া ৪টায় প্রথমে আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করা হয়, আপনি কি তুরিন আফরোজ? আমি উত্তর দিই, জি, আমি তুরিন আফরোজ। পরিচয় দিতেই ফোনের ওপাশ থেকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।

একপর্যায়ে আমাকে জ’বাই করে হ’ত্যার দেওয়া হয়।’ এ ব্যাপারে আইনি কোনো পদক্ষেপ নেবেন কি না, জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ‘অবশ্যই আমি আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, গণকমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সদস্য সচিব ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের নেতৃত্বে এক হাজার মাদ্রাসা ও শতাধিক ইসলামী বক্তার বিভিন্ন তথ্য দিয়ে ‘ধর্ম ব্যবসায়ীদের’

দুর্নীতির তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে ‘বাংলাদেশে মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন’। দুর্নীতি-সংক্রান্ত একটি শ্বেতপত্র দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দিয়েছে তারা। দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লার কাছে

গত ১২ মে শ্বেতপত্র ও সন্দেহভাজন শতাধিক ব্যক্তির তালিকা হস্তান্তর করে গণকমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সদস্য সচিব ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

গণকমিশনের তালিকায় সন্দেহভাজন হিসেবে ১১৬ জনের নাম রয়েছে। শ্বেতপত্র ও তালিকাটি একই সঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনেও দেওয়া হয়েছে। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি এবং জাতীয় সংসদের আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক ককাসের যৌথ উদ্যোগে গঠন করা হয় ‘বাংলাদেশে মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন’।


Leave a Reply

Your email address will not be published.