বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাসহ ৩ জনের নামে মামলা

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাসহ ৩ জনের নামে মামলা

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতকে ৬০ কোটি টাকার বিনিময়ে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার অভিযোগ

তোলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জহিরুল কবিরের আদালতে হাজির হয়ে কুমিল্লা মহানগর যুবলীগে আহ্বায়ক জিএস আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ মামলাটি করেন।

বিচারক বিষয়টি আমলে নিয়ে আগামী ১২ জুন চট্টগ্রাম সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী শেখ ইত্তেখার সাইমুন চৌধুরী দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অন্য আসামিরা হলেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মৃত আহসান উল্লাহর ছেলে ডা. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ ও টেবিল টক ইউকের সঞ্চালক হাসিনা আক্তার। অ্যাডভোকেট শেখ ইত্তেখার সাইমুন চৌধুরী জানান, লন্ডন থেকে পরিচালিত ‘

টেবিল টক ইউকে’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে গত ১৯ মে টকশোতে আমার মক্কেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতকে নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলেন। একপর্যায়ে ওই চ্যানেলের অতিথি ডা. কলিম উল্লাহ বলেন, ৬০ কোটি টাকার বিনিময়ে আরফানুল হক রিফাত দলীয় মনোনয়ন নিয়েছেন।

এছাড়া অপ্রকাশিত একটি রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে ডা. কলিম উল্লাহ আরও বলেন, মাদকের শীর্ষ তালিকায় আরফানুল হক রিফাত ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদের নাম রয়েছে। ভিত্তিহীন আলোচনায় আওয়ামী লীগের দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা, মনোনয়ন বোর্ডের সম্মানিত সদস্যরা, কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহা উদ্দিন বাহার,

কুসিক মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ও আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে। এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীও তার বক্তব্য সমর্থন করে সিটি করপোরেশনের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার ইন্ধন দিয়েছেন। এ ঘটনায় আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ ক্ষুব্ধ হয়ে বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জহিরুল কবিরের আদালতে হাজির হয়ে মামলাটি করেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী জিএস আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ জাগো নিউজকে বলেন, ডা. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহসহ তারা তিনজন পূর্বপরিকল্পতিভাবে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যপ্রচার করেছেন। কুমিল্লার শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার জন্যই তারা ভিত্তিহীন এসব কথা বলেছেন। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।


Leave a Reply

Your email address will not be published.