বিএনপির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় জাপা!

বিএনপির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় জাপা!

রাজনীতি: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এখন দেড় বছরেরও বেশি সময় বাকি। ২০২৩ সালের শেষে অথবা ২০২৪ সালের শুরুর দিকে হতে পারে নির্বাচন।

তবে এরই মধ্যে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ করতে শুরু করেছে। বিএনপির পাশাপাশি জাতীয় পার্টিও (জাপা) ভোটের মাঠে ভিন্ন কৌশল নিচ্ছে।

জাপার নীতি-নির্ধারকরা বলছেন, বিএনপি নির্বাচনে গেলে তারা বর্তমান সরকারের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করবে। আর বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে তারা এককভাবে ৩০০ আসনে লড়বে।

তবে অবস্থা বুঝে বিএনপির সঙ্গেও জোট করতে পারে দলটি। শেষ পর্যন্ত বিএনপি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেই অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে দলটিকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এরশাদকে ছাড়া দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন জাপার জন্য অগ্নিপরীক্ষা।

কারণ, গত দুই নির্বাচনে এরশাদের নেতৃত্বেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসে জাপা। তবে এরশাদের মৃত্যুর পর তার ভাই জি এম কাদের দলকে আগলে রাখলে আগামী নির্বাচনে অধিকার ছাড়বেন না এরশাদ পত্নী বিদিশাও। এমনকি আগামী নির্বাচনে বিশেষ চমক দেখানোর ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, জি এম কাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আর এরশাদের চেয়ারে বসে একটি অংশের সমর্থন নিয়ে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষণা করে দল পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন বিদিশা। সবকিছু মিলিয়ে দ্বাদশ নির্বাচন জাতীয় পার্টিকে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের সম্প্রতি বলেছিলেন, নির্বাচনকালে পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা বিবেচনায় রেখেই নির্বাচনে জোট গঠনের ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় পার্টি। রাজনীতিতে যেহেতু শেষ কথা বলে কিছু নেই। তাই জোট গঠনের সম্ভাব্যতাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার মসিউর রহমান রাঙ্গা সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রয়োজনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচনে যেতে পারে জাতীয় পার্টি। তিনি বলেছেন, বিএনপির সব লোকই খারাপ না, সবাই দুর্নীতিবাজ নন। বিএনপিতে এখনও অনেক ভালো রাজনীতিবিদ আছেন। ফলে প্রয়োজনীয় প্রেক্ষাপটে জোটবদ্ধ নির্বাচন হতেই পারে।


Leave a Reply

Your email address will not be published.