মারামারিতে জড়ালেন ছাত্রলীগের সভাপতি শেলী, জানা গেল কারণ

মারামারিতে জড়ালেন ছাত্রলীগের সভাপতি শেলী, জানা গেল কারণ

সংবাদ: রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সেলিনা আক্তার শেলী নতুন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীর সঙ্গে

মারামারিতে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সেলিনা হোসেন সেলী তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সিট দখলের উদ্দেশ্যে নতুন হলের ৩০১২ ও ৩০০১ নম্বর

কক্ষে হামলা চালায়৷ এতে নুসরাত জাহান বাঁধন এবং তাসনুবা তাবাসুম মৌ নামের দুই শিক্ষার্থী আহত হন। আহত দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে সেলিনা আক্তার শেলী বলেন, ‘আসলে আমি চাই যা হয়েছে তাই ছড়াক, মিথ্যা যেন না ছড়ায়। আমরা কমিটিতে আসার পর মেয়েদের সঙ্গে পরিচিত হইনি। আমার সাধারণ

সম্পাদক নতুন বিল্ডিংয়ে আর আমি পুরাতন বিল্ডিংয়ে থাকি। আমি নতুন বিল্ডিংয়ে মেয়েদের সাথে পরিচিত হতে যাই, যদিও সেক্রেটারি ছিল না। ভাবলাম সে পরে এসে আমার ব্লকে পরিচিত হয়ে যাবে। আমি গিয়ে মেয়েদের সাথে কথা বলি, তাদের দিক নিদর্শনা দিই। বলি যে, আমাদের মেনে চলবা, আমরা তোমাদের ভালোর জন্যই এসেছি, ভালো করব।’ শেলী বলেন, ‘কিন্তু একটা রুমে বাঁধন নামে এক মেয়ে ওই রুমের সকল মেয়েকে বলে কেউ বের হবি না। সেক্রেটারি নেই মানে এই ব্লকে কোনো নেতা নেই। তখন আমরা সিনিয়র হিসেবে রাগ হই এবং আমি তাঁর দিকে আঙুল দেখিয়ে বলি, তুমি কাকে কী বলছ? কথা-কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে সে আমার মুখে খামচি দেয়, আমার হিজাব খুলে ফেলে এবং আমার তলপেটে আঘাত করে। আমি তার গায়ে হাত দিইনি।’ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবা আক্তার সাইমুন বলেন, ‘আমাদের ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা নিজেরাই সমাধান করে নিয়েছি।’ উল্লেখ্য, গত ১৩ মে বেগম বদরুন্নেসা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে সোনালী আক্তার শেলী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হাবীবা আক্তার সাইমুনকে মনোনীত করা হয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published.