থাই ও ক্যাসিনো জুয়ার থাবায় কুপকাত যুব সমাজ, সাবধান বিপদে পড়তে পারেন আপনিও- বিস্তারিত

থাই ও ক্যাসিনো জুয়ার থাবায় কুপকাত যুব সমাজ, সাবধান বিপদে পড়তে পারেন আপনিও- বিস্তারিত

নীলফামারীর সৈয়দপুরে মোবাইলের মাধ্যমে থাই জুয়া আর ক্যাসিনো জুয়ার নেশায় আসক্ত হয়ে সর্বনাশ হচ্ছে যুব সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ।

থাই জুয়া খেলায় কেউ কেউ লাভবান হওয়ার কথা শুনা গেলেও ক্যাসিনো জুয়া খেলায় অনেকেই পথে বসেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। সাদা পোশাকধারী পুলিশ মাঝে মাঝে খবরদারী করলেও কোনক্রমেই বন্ধ হচ্ছে না এইসব জুয়া।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কঠোর ব্যবস্থা নেন না বলেই শহরের পাড়া মহল্লা সহ রেল লাইন সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ২৪ ঘন্টাই চলছে এসব জুয়ার আসর। খোজ নিয়ে জানা গেছে প্রায় প্রতিটি মহল্লাতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও থাই জুয়া খেলায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন।

মোবাইলের মাধ্যমে থাই জুয়া খেলে শহরের কাজীরহাট, হাতিখানা, চাউল মার্কেট, উপজেলার কামারপুকুর, কাশিরাম বেলপুকুর ও খাতামুধুর ইউনিয়নের অনেকেই নির্মাণ করেছেন পাকা ঘরবাড়ী, কিনেছেন দামী দামী মটর সাইকেল,

ল্যাপ্টপ ও প্রায় দেড় দুই লাখ টাকার মূল্যে আই ফোন। একারণে শহর কিংবা গ্রামে দলবদ্ধ হয়ে যুবক যুবতীসহ নারী পুরুষরাও খেলছেন থাই জুয়া। অপরদিকে ক্যাসিনো জুয়া খেলে অল্প দিনে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখে ফতুর হয়েছেন প্রায় ১০০টিরও বেশি যুবক।

তারা গত ২/৩ মাসে কোটি টাকারও বেশি খুইয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে এক সময়ের জুয়া সম্রাট বাদশা নামের এক ব্যক্তি শহরের রেল লাইন সংলগ্ন এলাকা ইসলামবাগ ও ঢেলাপীর নামক এলাকায় মোবাইলের মাধ্যমে ক্যাসিনো জুয়ার আসর বসিয়েছেন। অর্থ ও বিত্ত শালীদের আদরের সন্তানদের ক্যাসিনো জুয়ায় কোটি টাকা আয় করা সম্ভব লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। জুয়া সম্রাট বাদশার ফাদে পড়ে এ যাবত প্রায় অর্ধশতাধিক যুবক ফতুর হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক যুবক জানান জুয়া সম্রাট বাদশার খপ্পরে পড়ে গত দুই মাসে ৭৫ লাখ টাকা খুইয়েছেন তিনি। এছাড়া তার অনেক বন্ধুরাও খুইয়েছেন লাখ লাখ টাকা।

রেল লাইন সংলগ্ন ব্যবসায়ীরা জানান জুয়া সম্রাট বাদশার ক্যাসিনো জুয়ার আসরের কথা পুলিশ প্রশাসনের অনেকেই জানেন কিন্তু কেন যে বন্ধ হয় না তার জুয়ার আসর তা আল্লায় ভালো জানেন। চোখের সামনেই ক্যাসিনো জুয়া খেলে যুব সমাজ ফতুর হয়ে যাচ্ছে কিন্তু পুলিশ প্রশাসন কিছুই করছেন না। অচিরেই জুয়া সম্রাট বাদশার জুয়ার আসর বন্ধের পাশাপশি তাকে গ্রেফতার করা না হলে ফতুর হওয়া যুবকদের কারণে মাদক বিক্রি, মাদকাশক্ত ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যেতে পারে বলে জানান তারা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিম হুসাইন জানান, জুয়া সম্রাট বাদশার কথা তিনি শুনেছেন। কোথায় কোথায় বাদশার ক্যাসিনো জুয়ার আসর রয়েছে তা খতিয়ে দেখার জন্য অনেক কেই বলা হয়েছে। প্রমাণ মিললে তৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)


Leave a Reply

Your email address will not be published.