বৃটিশ হাইকমিশনারকে যুক্তরাষ্ট্রসহ ঢাকার ৯ দূতাবাসের সমর্থন

বৃটিশ হাইকমিশনারকে যুক্তরাষ্ট্রসহ ঢাকার ৯ দূতাবাসের সমর্থন

বাকস্বাধীনতা এবং কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী এবং গতিশীল সুশীল সমাজ মৌলিক বিষয়, মন্তব্য করে মঙ্গলবার ঢাকাস্থ

বৃটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন জানিয়েছিলেনঃ যুক্তরাজ্য এবং সারা বিশ্বেই সরকার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে

জবাবদিহি করে সিভিল সোসাইটি অরগানাইজেশান (নাগরিক সংগঠন) গুলো। সেক্ষেত্রে, তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সক্ষমতা থাকা উচিত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিজের অফিসিয়াল একাউন্ট থেকে তিনি এসব কথা লিখেছিলেন। ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা এবং

বেশ কয়েকটি দেশের দূতাবাসসমূহ বৃটিশ হাইকমিশনারের উক্ত বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। কমপক্ষে ৯ টি দেশের দূতাবাস এবং রাষ্ট্রদূত ওই বক্তব্যের পক্ষ নিয়েছেন। তার ওই পোস্ট রিটুইট করেছে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন,

জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড এবং নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার ভেন্ডসেন। এছাড়া, ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস ওই পোস্ট শেয়ার করে লিখেছেনঃ স্বাধীন এবং বৈচিত্র্যময় সুশীল সমাজের কণ্ঠ সবসময়ই কানাডার গণতন্ত্র, উদ্ভাবন এবং অগ্রগতির মূল নীতির অংশ। এগুলো বাংলাদেশের সাথে আমরা যেসব মূল্যবোধের অংশীদার সেগুলোর মধ্যেও অন্যতম।

বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেক্স বার্গ ফন লিন্ডে বৃটিশ হাইকমিশনারকে সমর্থন করে লিখেছেনঃ সত্যিই তাই। যে কোনো গণতান্ত্রিক সমাজেরই কেন্দ্রীয় স্তম্ভ হলো প্রাণবন্ত এবং শক্তিশালী সুশীল সমাজ। ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউয়েন লিখেছেনঃ ঠিক বলেছেন। যে কোনো দেশে স্বচ্ছতা এবং উপযুক্ত ‘চেক এন্ড ব্যালেন্সের’ জন্য নাগরিক সংগঠনগুলোর কর্মক্ষম উপস্থিতি কেন্দ্রীয় এবং মূল বিষয়। ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন লিখেছেনঃ ঠিক তাই। প্রাণবন্ত এবং শক্তিশালী সুশীল সমাজ দুর্বলের কণ্ঠ শোনার চাবিকাঠি।


Leave a Reply

Your email address will not be published.