ওমর সানীর কাণ্ডে জায়েদ খানের হুঁশিয়ারি

ওমর সানীর কাণ্ডে জায়েদ খানের হুঁশিয়ারি

চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে সংসার ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ এনেছেন ওমর সানী। তিনি জানিয়েছেন, জায়েদ খান গত চার মাস ধরে তার স্ত্রী চিত্রনায়িকা

আরিফা পরভীন মৌসুমীকে নানা হয়রানি ও বিরক্ত করে আসছে। তার সুখের সংসার ভাঙার জন্য বিভিন্ন কৌশলে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।

তবে মৌসুমীর কণ্ঠে ছিলো ভিন্ন সুর। তিনি বলেন, ‘আমি জায়েদকে অনেক স্নেহ করি ও আমাকে যথেষ্ট সম্মান করে। আমাদের মধ্যে যতটুকু কাজের সম্পর্ক, সেটা খুবই ভালো একটা সম্পর্ক।

সেখানে আমাকে অসম্মান করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। ও অনেক ভালো ছেলে। সে কখনোই আমাকে অসম্মান করেনি।’ তবে সানীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে তার বড় ছেলে ফারদিন এহসান গণমাধ্যমকে বলেন,

শুধু আম্মুকে (মৌসুমী) নয়, উনি (জায়েদ খান) কমবেশি সবাইকে ডিস্টার্ব করেন। আমার আব্বুর সঙ্গেও বেয়াদবি করেছেন। আম্মু ভেবেছিলেন, বিষয়টি খুবই সামান্য, এটা পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুক।’

ফারদিন আরও বলেন, ‘তিনি (জায়েদ খান) আমার ব্যবসারও ক্ষতি করার চেষ্টা করেছেন। আমি বিষয়গুলো জানি, কিন্তু পাবলিকলি সব বলব না। উনাকে নিয়ে চিন্তায় পড়ব এমন না। উনাকে এত গুরুত্বও দিচ্ছি না। জায়েদ খান আর রাস্তার ব্যাঙ এক কথা!

তাই উনাকে নিয়ে ভাবছি না।’ এদিকে নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয় সবার সামনে উপস্থাপন করে শিল্পীদের ছোট করছেন ওমর সানী, এমনটাই মনে করছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। পাশাপাশি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এ নায়ক।

জায়েদ খান জানান, ‘চড় ও গুলি করার মিথ্যা ঘটনাটি নিয়ে মৌসুমী আপার বক্তব্যের পর বিষয়টি সেখানেই থেমে যাওয়া উচিত। আমার মনে হয় সানী ভাই ভুল করেছেন। তার সুবুদ্ধির উদয় হোক।’

এ নায়ক মনে করেন, স্বামী-স্ত্রীর সমস্যা তাদের (সানী-মৌসুমী) পারিবারিকভাবেই সমাধান করা উচিত ছিল। কিন্তু জনপ্রিয় হয়েও ওমর সানী নিজেকে সবার সামনে ছোট করে ফেলেছেন। এতে শিল্পীদের প্রতি মানুষের সম্মানবোধ নষ্ট হয়ে গেল।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন, জায়েদ খানের কারণে সানী-মৌসুমীর সংসার ভাঙবে। আর তাই পরিস্থিতি কি হয় সেটি দেখার অপেক্ষা করছেন জায়েদ খান। পরিস্থিতি দেখেই পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেবেন তিনি।

মানুষের কাছে শিল্পীদের হাস্যকর করতে চান না জায়েদ খান। জায়েদ বলেন, ‘মৌসুমী আপুকে আমি সম্মান করি। কিন্তু কিছু মানুষ বিষয়টি নিয়ে নোংরামি করছে। শিল্পীদের সবাই সম্মান করে, সেই জায়গা ধরে রাখা উচিত।’


Leave a Reply

Your email address will not be published.