জামানত হারালেন নৌকার প্রার্থী!

জামানত হারালেন নৌকার প্রার্থী!

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (ইউপি) আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন মণ্ডল ১

হাজার ৮৩৪ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। জানা গেছে, বুধবার (১৫ জুন) অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ছয়জন প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে মোফাজ্জল হোসেন মণ্ডল ১৬টি কেন্দ্রে

মোট ১ হাজার ৮৩৪ ভোট পান। এর মধ্যে খেংশহর কেন্দ্রে ১৫, কামুল্ল্যা কেন্দ্রে ৩৩, মুরাদপুর কেন্দ্রে ২০৮, কহুলী কেন্দ্রে ২৬৩, সিংজানি কেন্দ্রে ১৬২, বীরপলি কেন্দ্রে ২৬১, বুড়ইল কেন্দ্রে ৭৫, রিধইল কেন্দ্রে ১০৬,

দোহার কেন্দ্রে ২১, দাসগ্রাম কেন্দ্রে ৭৪, দাসগ্রাম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১১৮, ধুন্দার হাইস্কুল কেন্দ্রে ৯০, ধুন্দার প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯৯, তুলাসন কেন্দ্রে ১২৪, পেং বোনারপাড়া কেন্দ্রে ৩৭ ও পেং হাজারকি কেন্দ্রে ১৪৮ ভোট পান।

এ ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউর রহমান অটোরিকশা প্রতীকে ১১ হাজার ২৭০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মালেক চশমা প্রতীকে ৬ হাজার ৯১৮ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আহসানুল হক মোটরসাইকেল

প্রতীকে ৪৮৩ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ভবেশ চন্দ্র সরকার ঘোড়া প্রতীকে ৩ হাজার ৯২৯ ভোট এবং রুহুল আমিন হিমেল আনারস প্রতীকে ২৪৯ ভোট পান। উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুস সালাম বলেন, মোট কাস্ট হওয়া ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে সেই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। বুড়ইল ইউনিয়নে তিনজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।

তিনি বলেন, ওই ইউনিয়নে ভোটার রয়েছেন, ৩০ হাজার ৬১৬। সেখানে মোট ভোট পড়েছে ২৪ হাজার ৭৩৫। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তৃণমূল থেকে প্রার্থীদের নাম সুপারিশ করে জেলা আওয়ামী লীগের মাধ্যমে কেন্দ্রে পাঠিয়েছিল উপজেলা আওয়ামী লীগ। এই ইউনিয়ন থেকে বুড়ইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কালিপদ প্রামাণিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু সাঈদ, আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন মণ্ডল ও আহসানুল হকের নাম সুপারিশ করে কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর দেখা যায়, বুড়ইল ইউনিয়নের তালিকার ১ ও ২ নম্বরে থাকা প্রার্থীদের বাদ দিয়ে ৩ নম্বরে থাকা মোফাজ্জল হোসেন মণ্ডলকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার জন্য ব্যাপক চেষ্টা করেছে। প্রার্থীর ব্যক্তিগত সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার কারণে এই ভরাডুবি হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published.