হাফিজুর রহমান ও মেজবাহ’র পিতা যে কারণে হেরে গেলেন, জানা গেল বিস্তারিত

হাফিজুর রহমান ও মেজবাহ’র পিতা যে কারণে হেরে গেলেন, জানা গেল বিস্তারিত

আলোচিত: চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হতে পারলেন না আলোচিত ইসলামী বক্তা কুয়াকাটা হুজুর খ্যাত

মাওলানা হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান মেজবাহ এর পিতা মোসলেম উদ্দিন মুছা মুসল্লি। গত ১৫ জুন অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়

লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ হাজার ৩৭৫ ভোট পেয়ে তিনি তৃতীয় হয়েছেন। এদিকে হাফিজুর রহমান ও মেজবাহ’র কারণেই

পিতার এমন পরাজয় বলে মনে করছেন অনেকে। এ নিয়ে স্থানীয় জনগণ থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এবং

বিভিন্ন গ্রুপ পেজে দেখা যাচ্ছে অনেকে বলছেন, মাওলানা হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান মেজবাহ বিভিন্ন সময় ওয়াজের মধ্যে নানা রকম বিতর্কিত ও মতবিরোধ মন্তব্য সাথে বিভিন্ন হাস্যরসিক বক্তব্য এবং তাদের নিজেদের পারিবারিক সমস্যার কারণেই

আজকে ‘কুয়াকাটা হুজুরের বাবার এমন লজ্জাজনক পরাজয়। এত বড় একজন সম্মানিত মানুষের পিতা সাধারণ ইউপি নির্বাচনে তৃতীয় হবে এটা কখনও ভাবা যায় না।

তাদের এলাকার মানুষ বলেছেন, বিভিন্ন সময় তিনি ওয়াজের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভেদ সৃষ্টি করেছেন, যার ফলস্বরূপ আজকে তার পিতার এমন লজ্জাজনক পরাজয়। তাদের আচার ব্যবহার এবং বিতর্কিত সব মন্তব্যের কারণে তাদের নিজ এলাকার মানুষ তাদেরকে পছন্দ করেন না।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলনের হয়ে হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচন করেন মোসলেম উদ্দিন। নির্বাচনের আগে বাবাকে জয়ী করতে দিনভর প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন হাফিজুর রহমান সিদ্দিক। তার সঙ্গে ছিলেন দুই সহোদর হাবিবুর রহমান মেজবাহ ও মাহফুজুর রহমান জাবের। লতাচাপলী ইউনিয়নে ৬ হাজার ১১০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের আনছার উদ্দিন মোল্লা। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল আলম (আনারস) ৪ হাজার ৭২২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। এদিকে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন ধুলাস্বারে নৌকা প্রতীকের চেয়ে ১৩৬২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন হাতপাখার প্রার্থী আ. রহিম। কলাপাড়ার দুটি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৩২ হাজার ২২৫ জন। যার মধ্যে ১৬ হাজার ৪৬৭জন পুরুষ ও ১৫ হাজার ৭৫৮ জন নারী। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১০ জন, সাধারণ মেম্বার পদে ৬১ এবং সংরক্ষিত নারী মেম্বার পদে ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published.