সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার মিশনে নেমেছিল কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা

সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার মিশনে নেমেছিল কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি বলেছেন, আমরা কুমিল্লা সিটি নির্বাচনকে অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করেছি।

এতে আপনাদের সন্তান কুমিল্লার বাহার আরেকটি ইতিহাস সৃষ্টি করল বাংলাদেশে। এ সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে কিছু অসাধু কর্মকর্তা বিশেষ মিশন নিয়ে নেমেছিল।

তারা শুধু নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ করাতে চেয়েছিল বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। যারা এ কাজ করেছে তারা হয় স্বাধীনতা বিরোধী লোক নতুবা বিশাল টাকার বিনিময়ে এ কাজ করেছে।

এসব অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হবে। কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে সাড়ে তিন হাজার পুলিশ সদস্য কাজ করেছেন। দুর্নীতিগ্রস্ত ৭/৮ জন কর্মকর্তা নির্বাচন নসাৎ করার চেষ্টা করেছে। সব কর্মকর্তা এক রকম না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নবাগত মেয়র-কাউন্সিলরদের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এমপি বাহার। হাজী বাহার এমপি আরও বলেন, কুমিল্লা পুলিশ সুপার একজন সৎ মানুষ। তাকে নিয়ে কারো কোন অভিযোগ নেই।

আমি ব্যক্তিগতভাবেও তাকে পছন্দ করি। কিন্তু বাতির নিচের অন্ধকার থাকে। এমনই একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহান সরকার। সে যেখানে নৌকার ব্যাজ পরা লোক পেয়েছে সেখানে অকারণে নৌকা কর্মীদের পিটিয়েছে। নৌকার ব্যাজ ধরে টানাটানি করেছেন।
নৌকার কর্মীদের গালিগালাজ করেছে।

আমাদের কর্মীদের পিটিয়ে বেহুশ করে দিয়েছেন। সে একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। এক সময় তার বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছিল। তখন সে আমার শরণাপন্ন হয়েছিল। এ নির্বাচনে তার কর্মকাণ্ড দেখে বুঝলাম সে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। মুুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষ বিনা কারণে নৌকার ব্যাজ ছিড়তে পারে না।

নৌকার কর্মীদের পিটাতে পারে না। নৌকার কর্মীদের গালাগালি করতে পারে না। তার আবারো তদন্ত হওয়া দরকার। নির্বাচনে কয়েকজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এমন আচরণ করেছে আল্লাহর পরে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে আমাদের সাথে। একজন ম্যাজিস্ট্রেট বিনা কারণে নৌকার চিফ এজেন্ট আতিকুল্লাহ খোকনের সাথে বাজে আচরণ করেছে।

ভোটারদের হয়রানী করেছেন। নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘনের দায়ে ১২ জন লোককে জেল দেওয়া হয়েছে। সবাই নৌকার লোক। নৌকা ছাড়া একজন লোকও নেই। ৪৫ জন ম্যাজিস্ট্রেট এ কাজ করে নাই। যারা নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চেয়েছিল তাদের তদন্ত করতে হবে। এসময় নবনির্বাচিত মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত,

এমপি বাহারের সহধর্মিনী মেহেরুন্নেসা বাহার, নবনির্বাচিত মেয়র পত্নী অধ্যাপিকা ফারহানা হক শিল্পী, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুল্লাহ খোকন, জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুলাহ আল মাহমুদ সহিদ, আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম টুটুল, জাগ্রত মানবিকতার চেয়ারম্যান তাহসিন বাহার সূচনা ও বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নব নির্বাচিত কাউন্সিলরগণ, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published.