ভারতের কালো তালিকায় বাংলাদেশি ৬ ধর্মীয় বক্তা ও এক সংগীতশিল্পী

ভারতের কালো তালিকায় বাংলাদেশি ৬ ধর্মীয় বক্তা ও এক সংগীতশিল্পী

বাংলাদেশের ছয়জন ধর্মীয় বক্তাসহ এক সংগীতশিল্পীকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাতজনের ভিসার

অপব্যবহার এবং ভারত বিরোধী বক্তব্য দিয়ে ওই দেশের মানুষকে উসকানি দেয়ার অভিযোগ এনেছে। এমন অভিযোহগরে প্রেক্ষিতে ওই ৭ জনের পাসপোর্ট কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু’র এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তারা হলেন- জালাল উদ্দীন উসমানী, মুফতি হোসাইন আহমাদ, আবু তাহের, মো. জাকারিয়া,

খাজা বদরুদ্দোজা হায়দার এবং সংগীতশিল্পী মুনিয়া মুন। বাকি একজনের নাম জানা যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই বাংলাদেশিরা আসামসহ ভারতের বিভিন্নস্থানে আপত্তিজনক কর্মকাণ্ড করায় তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আসাম সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আসাম সরকার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে ওই ৭ বাংলাদেশির ব্যাপারে কথা বললে কেন্দ্রীয় সরকার এই উদ্যোগ নেয়।

ওই ৬ বাংলাদেশি ধর্মীয় বক্তা সাধারণত টুরিস্ট বা মেডিকেল ভিসায় ভারত সফর করতেন। তাঁরা একাধিকবার ভারতে গিয়েছেন এবং সেখানে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষতিকর বিষয় প্রচার করেছেন বলেও জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। আর সংগীত শিল্পী মুনিয়া মুন ভারতের

টুরিস্ট ভিসার শর্ত ভঙ্গ করেছেন বলেই তাঁর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, যেসব ব্যক্তি টুরিস্ট ভিসায় ভারতে আসেন (যান) তাঁরা কোনো ধরনের ধর্মীয়, রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারেন না। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার জন্য বহুমুখী ভিসা প্রয়োজন হয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published.