সুনামগঞ্জ আমার জন্মস্থান, খুবই কষ্ট হচ্ছে: শবনম ফারিয়া

সুনামগঞ্জ আমার জন্মস্থান, খুবই কষ্ট হচ্ছে: শবনম ফারিয়া

কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সুনামগঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগের শেষ ভরসাস্থল জগন্নাথপুর ফেরি চলাচল বন্ধ।

এতে সুনামগঞ্জের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। সেখানকার একতলা কোনো ঘর বসবাসের উপযোগী নেই। সুনামগঞ্জের একেকটি

উপজেলা পরিণত হয়েছে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাতেই পানিতে তলিয়ে গেছে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়ক। এতে ওই রাতেই সড়ক পথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সুনামগঞ্জ।

শুক্রবার (১৭ জুন) সকাল থেকে বিদ্যুৎহীনতা, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট না থাকায় সবদিক থেকেই এখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সুনামগঞ্জ। ছোট পর্দার অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার জন্মস্থান সুনামগঞ্জ।

তার বাবা সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। দেশের বাড়ি চাঁদপুর হলেও চাকরির সুবাদে পরিবার নিয়ে সুনামগঞ্জেই থাকতেন অভিনেত্রীর বাবা। আর সেখানেই ফারিয়ার জন্ম। আর তাই জন্মস্থান সুনামগঞ্জের এমন বিপর্যয় তাকে খুব কষ্ট দিচ্ছে।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শবনম ফারিয়া লিখেছেন, ‘সুনামগঞ্জ আমার জন্মস্থান। বাবার পোস্টিং ছিল সেখানে। যদিও বড় হয়ে আর সেখানে যাওয়া হয়নি। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে সেখানকার বন্যা পরিস্থিতির ছবি দেখে খুবই কষ্ট হচ্ছে।

সবশেষ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ‘বন্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎহীনতা। সারা জেলায় বিদ্যুৎ নেই, ইন্টারনেট নেই। এক-দুইটি এলাকা ছাড়া বাকি জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্কও নেই। সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ায় উদ্ধার তৎপরতাও ব্যাহত হচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, ‘সব জায়গায় পানি। জেলার সব মানুষই পানিবন্দি। ফলে আলাদা করে এখন পানিবন্দি কতজন, তা গুণে দেখা সম্ভব নয়। বন্যার্তদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী আজ (শনিবার) সকাল থেকেই কাজ শুরু করবে।’ এদিকে জেলার ছাতক উপজেলার খুমনা এলাকার বাসিন্দারা বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। পুরো এলাকায় ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে আছে সাপসহ বিভিন্ন পোকামাকড়ের ভয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published.