হেরেও কুমিল্লায় জিতলো বিএনপি, রেড সিগন্যাল পেলো নৌকা!

হেরেও কুমিল্লায় জিতলো বিএনপি, রেড সিগন্যাল পেলো নৌকা!

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক

রিফাত ৫০ হাজার ৩১০ ভোট পেয়ে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত)

মনিরুল হক সাক্কু হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই করে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আরেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার পেয়েছেন ২৯ হাজার ৯৯ ভোট।

আসুন আমরা একটি বিশ্লেষণ করিঃ নির্বাচনে মোট দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০ ভোটার ছিলেন। এরমধ্যে এক লাখ ৩৫ হাজার ৬৪টি ভোট পড়ে। বাতিল হয় ৩১৯ ভোট।

ভোট পড়েছে ৫৮.৭৪ শতাংশ। এবার আসুন বিশ্লেষণে কি পাওয়া যায়, সামগ্র সিটিতে আওয়ামী লীগের নৌকার বাক্সে ভোট পড়েছে ৫০৩১০ ভোট,

বিএনপির সাক্কু ঘড়ি বাক্সে ভোট পড়েছে ৩৯৯৬৭ ভোট, আরেক বিএনপি প্রার্থী কায়সার ঘোড়ার বাক্সে ভোট পড়েছে ২৯০৯৯ ভোট। শুধু আ’লীগ একক প্রার্থী পেলেন ৫০৩১০ ভোট, অপর দিকে বিএনপি যদি একক প্রার্থী হতো অথবা দুই প্রার্থী মিলে যেতেন তাদের হতো ৬৯০৬৬ ভোট ।আ’লীগের সাথে বিএনপি ভোটের ব্যবধান হয় ১৮৭৫৬ ভোট। আর যদি বিএনপি দলীয় ভাবে একক প্রার্থী দিতেন তাহলে ভোট আরো বেড়ে যেতো। বিশ্লেষকের মতে, অর্থাৎ হেরেও কুমিল্লায় জিতলো বিএনপি, রেড সিগন্যাল পেলো নৌকা! রেড সিগন্যাল আ’লীগের দলীয় কোন্দলকে বুঝানো হয়েছে।

না হয় নৌকার ভোট আরো বেড়ে যেতো। অনেক সময় ব্যক্তিত্বের ভালো ইমেজ থাকলে ভোট কমতে ও বাড়তেও পারে। তবে অনেক সময় দলীয় কোন্দলে হেরে যায় অনেক প্রার্থী। জয়ী হতে হলে পূর্বে থেকে দলীয় নিয়মনীতি মানতে হবে নেতাদের। না হয় ঘরের শত্রুই পরাজয়ের কারণ হয়ে দাড়াবে। এখানে দেখা গেছে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় দলীয় ভাবে যদি সক্রিয় থাকতো তাহলে ফলাফলের ৪৫ মিনিটের ভিতরে আ’লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভবনা ছিলো। এক পক্ষ নিরব থাকার কারণে বড় ধরণের ঘটনা ঘটে নাই।


Leave a Reply

Your email address will not be published.