রোববার থেকে খুলছে রাজধানীর যেসব মার্কেট

ঈদের আগে রাজধানীর বড় বড় শপিংমল ও মার্কেট না খোলার সিদ্ধান্ত হলেও রোববার থেকে খুলছে বেশ কিছু মার্কেট।

এরমধ্যে রয়েছে- রাজধানীর গাউছিয়া, চাঁদনী চক, ইস্টার্ন প্লাজা, ইস্টার্ন মল্লিকা, গাজী শপিং কমপ্লেক্সে এবং এলিফ্যান্ট রোডের সব দোকান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব জহির আহমেদ ভূঁইয়া।তিনি বলেন, আগামী রোববার থেকে সীমিত আকারে রাজধানীর কিছু মার্কেট খোলা হবে। তারা সরকারের নিয়ম প্রতিপালন করেই মার্কেট খোলা রাখবে।

এদিকে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নিজ নিজ সিদ্ধান্তে খুলবে দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই সরকারের স্বাস্থ্যবিধির সব শর্ত মানতে হবে।

শুক্রবার রাতে জরুরি বৈঠক করে এসব সিদ্ধন্ত নিয়েছে দেশীয় পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর সংগঠন ফ্যাশন এন্টারপ্রেনার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এফইএবি)।

তবে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেক শপিংমল ও মার্কেট ইতোমধ্যে ঈদের আগে না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এগুলো হচ্ছে- দেশের অন্যতম সেরা শপিংমল বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও যমুনা ফিউচার পার্ক,

বায়তুল মোকাররম মার্কেট, ঢাকা নিউ মার্কেট, মৌচাক ও আনারকলি মার্কেট এবং মোতালেব প্লাজা। বর্তমান পরিস্থিতিতে দোকানদার ও ক্রেতা উভয়ের স্বাস্থ্যের দিকটি বিবেচনা করে মার্কেট না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দোকান ও শপিংম থেকে খোলার কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। তবে বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে বলা হয়েছে।এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ রোগের বিস্তাররোধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার সাধারণ ছুটি/জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা/সীমিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে শর্তাদি বিবেচনা করে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানপাট, শপিংমলসহ অন্যান্য কার্যাবল থেকে সীমিত আকারে খুলে দিতে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হলো। তবে এক্ষেত্রে আন্তঃজেলা ও আন্তঃউপজেলা যোগাযোগ/চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।হাট-বাজার, ব্যবসা কেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিংমল সকাল ১০টায় খুলবে এবং বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতিটি শপিংমলে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত সতর্কতা গ্রহণ করার কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *