ঈদে লকডাউনের কেমন রূপ থাকতে পারে জানালেন প্রতিমন্ত্রী

লকডাউনের মেয়াদ ঈদুল আজহা পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ পরিস্থিতিতে কোরবানির পশু কেনাবেচাসহ

সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের জন্য বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হতে পারে। সেটাও হবে সুপরিকল্পিতভাবে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরিস্থিতি দেখতে হচ্ছে, বিবেচনা করতে হচ্ছে। এখন সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী।

আজকে শনাক্তের হার প্রায় ৩০ শতাংশ। সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে। আমাদের দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা, জনসংখ্যা, আয়তন- সবকিছু মিলিয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা করতে হয়েছে। সরকার কিন্তু

জীবন ও জীবিকাকে প্রাধান্য দিয়েছে।’সংক্রমণ মোটামুটি কমিয়ে আনতে এক মাস বিধিনিষেধ দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেক্ষেত্রে ঈদটা যেহেতু সামনে আছে সেটা খুবই সংযতভাবে

আমাদের পার করতে হবে। তৃতীয় সপ্তাহটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সেটা ধরেই আমরা কাজ করব। চ্যালেঞ্জগুলো আমরা কীভাবে সুন্দরভাবে ম্যানেজ করতে পারি সে পরিকল্পনা আমরা করছি।’

তিনি বলেন, চলমান বিধিনিষেধ ঈদের ছুটির সময়েও থাকবে কি না, সেটি করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। চলমান ১৪ দিনের বিধিনিষেধের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে চলাচলসহ কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকবে। আর কোরবানির হাট চলতে দেওয়া হলেও লোকজনের আসা–যাওয়ার বিষয়টি হবে খুবই নিয়ন্ত্রিত। তবে কিছু বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকবে। কারণ, গত ঈদের সময় বাড়ি যাওয়ার কারণেই সংক্রমণ বেড়েছিল।

এবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হতে পারে যে যেখানে আছেন, সেখানে যেন ঈদ করেন।ফরহাদ হোসেন বলেন, কোনো কারণে বিধিনিষেধ না থাকলেও, এই পরিস্থিতিতে সরকার ঈদের ছুটি দিলেও কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। আবার ছুটি কমিয়েও দেয়া হতে পারে। যেমনটি গত ঈদের সময় ছুটি একদিন কমিয়ে দেয়া হয়েছিল।

ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, আমরা কোরবানির পশুর হাটগুলো ডিজিটালি খুব বেশি ইফেকটিভ করার চেষ্টা করছি। মানুষ যাতে গরু কিনতে কম বের হয়। (ঈদের সময়) বাড়ি যাওয়ার ইম্প্যাক্টটি আমরা এখন বেশি পাচ্ছি। আমরা চ্যালেঞ্জগুলো সামনে রেখে কীভাবে ছক করা যায়, সেটি ঠিক করব। কীভাবে কী করব ১২-১৩ জুলাইয়ের মধ্যে সেই অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *