মাত্র পাওয়া মার্কেট খোলার সম্ভাবনা, চলতে পারে গণপরিবহন ।

চলমান বিধিনিষেধ, করোনা সংক্রমণের বর্তমান হারসহ সার্বিক অর্থনৈতিক প’রিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে।

একাধিক সূত্র জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে করণীয় কি সে বিষয়ে ধারণা নেয়ার জন্য শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে অনুষ্ঠিত বৈঠকে।

তবে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ বৈঠকের আলোচ্য বিষয়ের উপর সারসংক্ষেপ তৈরী কওে সর’কারের শীর্ষ পর্যায়ে পাঠানো হবে। সেখানে আরো আলোচনা হয়ে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সূত্র জানায়,

চলমান বিধিনিষেধে শ্রমজীবী ও দরিদ্র মানুষের আয় কমে যাওয়া. খাদ্য সংকট বৃ’দ্ধিসহ তাদেরই অধিকাংশ অংশের বেশি সম’স্যা হয়েছে এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে যাদের জ’রিমানা করা হয়েছে তাদের অধিকাংশই শ্রমজীবি ও দরিদ্র মানুষ এ বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।

আসন্ন ঈদে গার্মেন্ট কারখানা কত দিন ছুটি থাকবে, বেতন-ভা’তা কখন কিভাবে মা’লিক পক্ষ পরিশোধ করবে, ঈদের আগে পরে কত দিন ছুটি থাকবে সে বিষয়ে বিজেএমইএর সঙ্গে আলোচনা হবে। তাছাড়া ব্যবসায়ীদের অন্যান্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে তাদের শ্রমিকদের ঈদ উপলক্ষে গ্রামে আসা-যাওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

কারণ ব্য’বসায়ী এসব সং’গঠনের আলোচনার প্রে’ক্ষিতে গণপরিবহন চলাচলে অনুমতি বা মা’র্কেট, শ’পিংমল খুলে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে স্বা’স্থ্যঝুকির কথা চিন্তা করে চলমান বি’ধিনিষে’ধের মে’য়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব যেমন রয়েছে তেমন আবার মানুষের জীবন-জীবিকা বি’বেচনায় কিছুটা শিথিল হওয়া প্রয়োজন এই বিষয়টিও আ’লোচনায় এসেছে। সভায় অনেক বিষয়ে অনেক তথ্য নিয়ে আ’লোচনা হয়েছে। এখন সভা’র আলোচনা এবং তথ্য উপাত্তসহ সব কিছু স’রকারের শীর্ষ পর্যায়ে পাঠানো হবে তার ওপর ভি’ত্তি করে চূড়ান্ত সি’দ্ধান্ত আসবে। তবে গার্মেন্ট শিল্প কবে থেকে বন্ধ হবে তার উপর অনেক সি’দ্ধান্ত নির্ভর করছে। জানা গেছে, এসময় গরুর হাটের কারণে কিছুটা ছাড় দেয়ার স’ম্ভাবনা আছে।কটা দুয়ার অন্তত খোলার স’ম্ভাবনা আছে। খুলে দিলেও কয়দিন বা কত সময়ের জন্য তা স’কারের ভাবনায় রয়েছে। স্বা’স্থ্যঝুকি বি’বেচনায় ঈদের পর আ’বার কঠোর বি’ধিনি’ষেধ জারির মত সি’দ্ধান্তে যাওয়ার ভা’বনাও চলছে। গত ঈদে বি’ধিনি’ষেধ থাকায় মানুষের বাড়ি যেতে অনেক দু’র্ভোগ হয়েছে এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হতে পারে। কারণ ঈদে তো মানুষ বাড়ি যেতে চাইবে। বাবা-মা, পরিজনের সঙ্গে ঈদ করতে চাইবে। এখানে আবেগের বিষয় জ’ড়িত এই বিষয়টিও স’রকারের বিবেচনায় রয়েছে। চলতি বি’ধিনিষে’ধের মধ্যেও মানুষের চলাচল একবারে বন্ধ করা যায়নি। পায়ে হেঁটে, রি’কসা-ভ্যা’ন গাড়ি, অ’টোরিক্সায় রাজধানীতে যেমন প্র’বেশ করেছে আবার একই সময় ছেড়েছেও।এই বিষয়টিও আলোচনা হয়েছে। কারণ অন্তত ঈদে যদি গণ’পরিবহন চলে তবে স্বা’স্থ্যবি’ধি মেনে কিছুটা হলেও এক্ষেত্রে মানুষের চলাচলে উপকার হবে। স্বা’স্থ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা ঝুকি থাকলেও স’রকার ভাল কোন সিদ্ধান্ত দেবে। যা মানুষের চলাচলে কিছুটা উপকার হবে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার কারণে সংক্র’মণ একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে এখন রয়েছে। নমনীয় হলে যদি আবার তা ঊর্ধ্বমুখী হয় তবে তা ভ’য়ের কারণ হবে। এটাও সরকারের চিন্তা-ভাবনায় রয়েছে। তাই মধ্যপন্থা অবলম্বনের চিন্তা করছে স’রকার। এজন্য ঈদের আগে-পরে অন্তত ৬ থেকে ৮ দিনের জন্য গণ’পরিব’হনসহ অন্যান্য বিষয়ে নমনীয় হতে সর’কারের ভাবনায় রয়েছে।বৈঠকে সে’নাবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার মোবাইল কোর্টে ম্যা’জিস্ট্রেট সংকটের কথা উল্লেখ করে আরো কিছু ম্যা’জিস্ট্রেট সে’না বাহিনীতে নি’য়োগ দেয়ার অ’নুরোধ জানিয়েছেন।এ বিষয়ে জন’প্রশাসন সচিবকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ম’ন্ত্রিপরিষদ সচিব অ’নুরোধ জানিয়েছেন।এক শীর্ষ কর্মক’র্তা বলেন, ঈদে মাঠ প্রশাসন খোলা রাখা এবং কাজে যাতে কোন ব্যাঘাত না হয় সে বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাছাড়া বাইরে আসলেও স’রকারি কর্মক’র্তাদের অসদাচরণ মানুষের প্রতি মানবিক আচরণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ই’সমাইল হোসেন জানান, আসন্ন ঈদে কো’রবানির হা’ট ব্যবস্থাপনা এবং ঈদে মানুষের চলাচল নি’য়ন্ত্রণ করতে করণীয় নি’র্ধারণসহ দরিদ্রদের খাদ্যসহ অন্যান্য সহায়তা করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।এক ল’ক্ষের উপর পশু কোরবানির জন্য গত এক বছর বা তারও অধিক সময়ে খামা’রীরা প্রস্তুত করেছেন। এসব বি’ক্রি করতে না পারলে প্রায় এক লখ কোটি টাকার ব্যাবসা-বাণিজ্য নষ্ট হবে। আবার প’শুর হা’টের মাধ্যমে সং’ক্র’মণ আরো বৃ’দ্ধি পেলে মৃ’’ত্যুর মিছিল শুরু হবে, এই আশ’ঙ্কাও রয়েছে। ক’রো’না সংক্রমণের বর্তমান গতি বিবেচনায় আরো দুই সপ্তাহ ঝু’কি রয়েছে এই বিষয়টি বৈঠকে জানিয়েছে করো’না সং’ক্রা’ন্ত জাতীয় কারি’গরি কমিটিতিনি জানান খুলনা বিভাগের বর্তমান ঊ’র্ধ্বগ’তির প্রেক্ষিতে সং’শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন সাপ্লাই, জনবল ও হাসপাতা’লের বেড বৃদ্ধি’সহ কিছু প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *