যেই দিন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলছে শপিংমল

চলমান কঠোর লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১৫ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

কুরবারি ঈদের মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে গণপরিবহণ। খোলা থাকবে শপিংমল ও দোকানপাট।

আরও পড়ুনঃ ভারতে তীব্র বজ্রপাতে কেড়ে নিল ৬৮ মানুষের প্রাণ।এদের মধ্যে একাধিক নারী ও শিশু রয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতে গুরুতর আ’হত হয়েছেন ১৭ জন।

এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রোববার (১১ জুলাই) দেশটির উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তীব্র বৃষ্টিপাতের মাঝে বজ্রপাতে

এসব প্রা’ণহানির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। বলছে, রোববার বজ্রপাতে উত্তরপ্রদেশে নি’হত হয়েছেন মোট ৪১ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নি’হতের ঘটনা ঘটেছে রাজ্যটির প্রায়াগরাজ জেলায়।

সেখানে ১৪ জন নি’হত হয়েছেন। এছাড়া ফিরোজাবাদ জেলায় নি’হত হয়েছেন তিন জন। টানা কয়েকদিন ধরে ব্যাপক গরমের

পরে রোববার বৃষ্টি শুরু হলে স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ খুশি হয়ে ওঠেন। তবে তখন কেউ ভাবতেও পারেননি যে, সেই বৃষ্টির সঙ্গী বজ্রপাত এমন বিপর্যয় ডেকে আনবে।ফিরোজাবাদের তিনটি গ্রামে বজ্রপাতে প্রা’ণ হারান তিনজন। এছাড়া রাজ্যটির শিকোহাবাদের নাগলা উমর গ্রামে দু’জন কৃষক মাঠে কাজ করছিলেন, এসময় হঠাৎ করে বৃষ্টি আসায় তারা একটি নিমগাছের নিচে আশ্রয় নেন। একপর্যায়ে সরসারি নিম গাছে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই ওই দু’জনের মৃ’ত্যু হয়।অপর একটি গ্রামেও অমর সিং নামে এক কৃষকের মৃ’ত্যু হয়। শুধু মানুষ না, বজ্রপাতে মা’রা গেছে গরু-ছাগলও। বৃষ্টির সময় হওয়া বজ্রপাতের কারণে মাঠে থাকা ৪২টি ছাগল ও একটি গরুর ‘মৃত্যু হয়। এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রোববার বজ্রপাতে দেশটির রাজস্থান রাজ্যে কমপক্ষে ২০ জন নি’হত হয়েছেন।নি’হতদের মধ্যে ৭ জন শিশুও রয়েছে। এর মধ্যে রাজ্যটির রাজধানী জয়পুরে একটি ওয়াচটাওয়ারে সেলফি তুলতে গিয়ে ১১ জন নি’হত হয়েছেন। এছাড়া মধ্যপ্রদেশে বজ্রপাতে সাত জনের মৃ’ত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। রাজস্থানে নি’হতদের মধ্যে ১১ জন জয়পুর, চার জন কোটা,তিন জন ঢোলপুর, এক জন ঝালওয়ার ও এক জন বারানের বাসিন্দা। জয়পুরের আমের এলাকায় একটি ওয়াচটাওয়ারে ৪০ মিনিটের মধ্যে পর পর দু’বার বজ্রপাতে ১১ জনের মৃ’ত্যু হয়। তারা সেখানে সেলফি তুলতে উঠেছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরের সওয়াই মানসিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এদিকে মধ্যপ্রদেশে বজ্রাঘাতে প্রা’ণহানি হয়েছে ৭ জনের। তার মধ্যে দু’জন শেওপুর, দু’জন গোয়ালিয়র, একজন করে শিবপুরি, অনুপপুর, বেতুলের একজন করে বাসিন্দা রয়েছেন। এ ঘটনায় শোক প্রকাশের পাশাপাশি মৃ’তদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *